এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে নেই সাকিব আল হাসান। টি-টোয়েন্টি সিরিজের সময়ও তাকে নিয়ে হয়েছে অনেক কথা। আজ দুপুরে শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগেও ভক্ত-সমর্থকদের মুখে সাকিবের নাম। সাকিবকে নিয়ে কথা হতেই পারে। কারণ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে সিরিজে তিনিই হয়েছিলেন সিরিজসেরা। তিন ম্যাচে ১৪৫ রান ও ৮ উইকেট দখলের কৃতিত্ব দেখান সাকিব। তিন ম্যাচেই অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখান তিনি। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে সেই সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ছিল সাকিব ও লিটন দাসের। তামিম ইকবাল ০ রানে আউট হওয়ার পর লিটন একপ্রান্ত ধরে রাখার পাশাপাশি উপহার দেন নান্দনিক ব্যাটিংশৈলি। তার ১১৪ বলে ১০২ রানের দারুণ এক ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ পায় ২৭৬ রানের বড় পুঁজি। তরুণ আফিফ খেলেন ৩৫ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ইনিংস, মেহেদি হাসান মিরাজ ২৫ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেললে।২৭০’র ঘরে পৌঁছে বাংলাদেশ। তারপর শুরু হয় সাকিব ম্যাজিক। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের স্পিন ঘূর্ণিতে পড়ে মাত্র ১২১ রানে গুঁড়িয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। সাকিব একাই নেন ৩০ রানে ৫ উইকেট। তবে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ম্যাচ সেরা হন লিটন দাস। তৃতীয় ওয়ানডেতে টাইগারদের জয়ের নায়ক তামিম। বাংলাদেশ জয়ী হয় ৫ উইকেট। লক্ষ্য ছিল বেশ বড়, ২৯৯ রানে। তামিমের অনবদ্য শতকে (৯৭ বলে ১১২) বাংলাদেশ ৫ উইকেট হাতে রেখে ১২ বল আগেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় । এবার আর সাকিব নেই। তাই তাকে মিস করবে দল। তবে আশার কথা আগের সিরিজে যিনি শেষ ম্যাচে দল জেতানো সেঞ্চুরি উপহার দিয়েছিলেন, সেই তামিম ইকবাল আছেন। তার নেতৃত্বেই কয়েক ঘন্টা পর ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সঙ্গে আছেন লিটন দাসও। এ স্টাইলিশ ব্যাটারও সবশেষ সিরিজের প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান। এক বছর আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে না থাকা মুশফিকুর রহিম খেলবেন এ সিরিজে। মিস্টার ডিপেন্ডেবলের ফেরাটাও অনেক বড় স্বস্তি। কাজেই টি-টোয়েন্টি সিরিজের মতো তরুণদের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হবে না টাইগারদের। আগের পাঁচ সিরিজে জিম্বাবুয়ানদের তুলোধুনো করা তামিমের দল ফেবারিটের তকমা নিয়েই নামবে মাঠে।