হলদীবাটা চৌরাস্তা-ফাকরাবাদ সড়ক সংস্কারের অভাবে জনদূর্ভোগ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীবাটা চৌরাস্তা-ফাকরাবাদ সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন উপজেলা সদরে অবস্থিত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করে। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে আসা-যাওয়া করে বিভিন্ন যানবাহন। মাঝেমধ্যেই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় সবাই চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হলদীবাটা চৌরাস্তা থেকে ফাকরাবাদ বাজার পযর্ন্ত সড়কটি ৪.৭ কিলোমিটার। সম্প্রতি সড়কটির মেরামত কাজ করার জন্যে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে প্রায় ৪৫ লাখ টাকা ব্যয় ধরে টেন্ডার হয়েছে। কিন্তু ওর্য়াক অর্ডার না হওয়ায় কাজটি শুরু হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির বিটুমিন কার্পেটিং উঠে ইট-সুরকি বের হয়েছে এবং কোন কোন জায়গায় দেবে গিয়ে ছোট-বড় গতের্র সৃষ্টি হয়েছে। মান্ধাতার আমলের ওই সরু সড়কটি কয়েক বছর আগে পাকাকরণের মাধ্যমে যান চলাচলের উপযোগী করে তুললেও তা আর সম্প্রসারণ করা হয়নি। এতে একটি গাড়ি আরেকটিকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারে না।


নাজমুল স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাসরিন জাহান সাথী বলেন, এ ভাঙাচোড়া সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কলেজে যেতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। উপজেলার ভারুয়া গ্রামের কৃষক মো. বাদল মিয়া বলেন, তাঁদের উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য উপজেলা সদরের হাটবাজারে নিতে হয়। কিন্তু এই ভাঙাচোড়া সড়কের কারণে ভ্যানচালকেরা যেতে চান না। গেলেও এ জন্য অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এই সড়কটি মেরামতের জন্য টেন্ডার হয়েছে। পরে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ক অর্ডার না আসায় কাজটি শুরু করতে বিলম্ব হচ্ছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের