‘সাকিবের মানের স্পিনার নেই, এ কারণে বাংলাদেশ হারছে’

সাকিব আল হাসান দলে থাকা মানেই দলে দুজন খেলোয়াড়ের সমান। ব্যাটিং-বোলিংয়ে সমান পরাদর্শী বাঁহাতি অলরাউন্ডারের না থাকাটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য নিঃসন্দেহে বড় ক্ষতি। গত সেপ্টেম্বর থেকে তিনি আইসিসির শাস্তি ভোগ করছেন। ফিরবেন এই বছরের অক্টোবরে।

ততদিনে অবশ্য বাংলাদেশ দল খেলে ফেলবে অনেক ম্যাচ, তাও বিদেশের মাটিতে। সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা হবে টেস্ট ক্রিকেটে।

ঘরের মাঠে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। এই টেস্টকে সামনে রেখে সাকিবকে স্মরণ করেছেন দলের অন্যতম স্পিনার তাইজুল ইসলাম।

তাইজুল বলেন, ‘এখন যারা স্পিনার আছে তারা ভালো নয়, সাকিব ভাইয়ের মতো নয়, এটাই সত্যি। সাকিব ভাই থাকলে ভালো হতো। সাকিবের মানের খেলোয়াড় আসতে হবে। এখন সেই মানের খেলোয়াড় নেই। সেই মানের স্পিনার নেই। এই কারণে ফলাফলটা এমন হচ্ছে, বাংলাদেশ হারছে।’

এই মাসেই পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্টে মুমিনুলরা হেরেছেন ইনিংস ও ৪৪ রানের বড় ব্যবধানে। টানা ৩ টেস্টসহ সর্বশেষ ছয়টি টেস্টের মধ্যে পাঁচটিতেই লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে। আর বিদেশের মাটিতে সর্বশেষ আটটি টেস্টের সাতটিতেই টাইগাররা হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের আওতায় হওয়ায় সাদাপোশাকে গুরুত্বটা বেড়ে গেছে বহুগুণ। চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত তিনটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। প্রত্যেকটিতেই ইনিংস ব্যাবধানে হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

ব্যাটিং-বোলিংয়ে টাইগারদের পারফর্মেন্স ছিল হতশ্রী। গত বছর বাংলাদেশ খেলে ছয়টি টেস্ট, আর এ বছর একটি। সাতটি টেস্টের মধ্যে মাত্র একটি টেস্ট খেলেছেন সাকিব আল হাসান, আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ওই ম্যাচেও দল হারে ২৪৪ রানের বড় ব্যবধানে। সাকিবের না থাকা ম্যাচগুলোতেও জয়ের মুখ দেখেননি টাইগাররা।

সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের হয়ে সাদা পোশাকে ৫৬ ম্যাচ খেলেন। উইকেট নিয়েছেন ২১০টি। সর্বোচ্চ বোলিং ফিগার ৩৬ রান দিয়ে সাত উইকেট। পাঁচ উইকেট নিয়েছেন ১৮ বার। সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে সাকিবসহই টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। এবার নামতে হচ্ছে তাকে ছাড়াই। নিঃসন্দেহে এটা বড় চ্যালেঞ্জও বটে টাইগারদের জন্য।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।