শ্রীবরদীতে মাদ্রাসা শিশু বলৎকারের ঘটনায় অভিযোগ দায়ের

শেরপুরের শ্রীবরদীতে মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (১৪ই এপ্রিল) উপজেলার তাতিহাটী ইউনিয়নের ভটপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বলৎকারের শিকার ওই শিক্ষার্থী ওই গ্রামের মৃত দুলাল মিয়া ছেলে। সে ঝিনাইগাতী উপজেলার কুচনীপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসার ছাত্র (১০)। সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

অভিযোগে জানা যায়, বলৎকারের শিকার ছাত্র ও তার মা বাড়ির পাশ্ববর্তী ভটপুর বাজারে কেনাকাটা করার জন্য যায়। টাকা কম থাকায় ওই ছাত্রকে বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য পাঠায় তার মা। এসময় প্রতিবেশী মৃত আ. জুব্বার মন্ডলের ছেলে আতিকুল ইসলাম (৫০) ওই ছাত্রকে বাড়িতে একা পেয়ে তার মুখ চেপে ধরে ঘরে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায়। টাকা আনতে দেরি হওয়ায় নির্যাতিত ছাত্রের মা বাড়ি এসে আতিকুল ইসলামকে পাশবিক নির্যাতন চালানো অবস্থায় দেখতে পান। পরে ডাক-চিৎকার দিলে আতিকুল ইসলাম পালিয়ে যায়। এসময় স্থানীয়রা ওই শিশু শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় নির্যাতিত ছাত্রের বড় ভাই শামীম মিয়া বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগকারী শামীম মিয়া বলেন, আতিকুল ইসলাম ইতিপূর্বেও এলাকায় এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এখন যে ঘটনা সে ঘটিয়েছে তা খুবই ন্যাক্কার জনক। আমি এর সঠিক বিচার চাই।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, তাদের সাথে জমি নিয়ে সামান্য তর্কবির্তক হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারা একটি ইস্যু তৈরি করছে।

শ্রীবরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের