You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

শ্রীবরদীতে ভাগনেকে বিষ খাইয়ে হত্যা চেষ্ঠা মামলার আসামী খালা রিয়া কারাগারে

শ্রীবরদীতে ভাগনেকে বিষ খাইয়ে হত্যা চেষ্ঠা মামলার প্রধান আসামী খালা রিয়াকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত । মামলা দায়ের হওয়ার পর বেশ কয়েক মাস অতিবাহিত হলেও মামলার প্রধান আসামী রিয়াকে গ্রেফতার করা হয়নি এমন অভিযোগে শেরপুর টাইমস সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন।

রিয়াকে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন স্থানে হানা দেয় পুলিশ। পুলিশের তৎপরতায় দিশেহারা হয়ে অভিযুক্ত রিয়া ২ অক্টোবর মঙ্গলবার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হলে বিজ্ঞ বিচারক অভিযুক্ত রিয়ার জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায় , শ্রীবরদী উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়নের বালিয়াচন্ডি গ্রামের ছামিউল হকের আত্বীয় আব্দুর রহমানের মেয়ে রিয়া (১৯) পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে তার নিজ বাড়িতে এসে ছামিউলের ৬ মাস ১০ দিন বয়সের শিশু পুত্র সারোয়ার হোসাইনকে কোলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী পুকুর পাড়ে যায়। এসময় রিয়া সেখানে শিশু সারোয়ারের মুখে বিষ ঢেলে দিলে শিশুটি চিৎকার চেচামেচি ও বমি করতে থাকে।

এমতাবস্তায় রিয়া শিশুটির মা সুমি বেগমের কাছে নিয়ে গিয়ে বলেন, সারোয়ার বমি করছে। এ কথা শুনে সুমি বেগম সারোয়ারকে কোলে নিলে তার মুখ দিয়ে বিষের গন্ধ পায়। এতে সুমি বেগমের ডাক চিৎকারের বাড়ির অন্যান্য আত্বীয়-স্বজন ছুটে আসে এবং সারোয়ারকে নিয়ে প্রথমে শ্রীবরদী ও পরে শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এরপর সারোয়ারের অবস্থা অবনতি হলে ওই দিন রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে শিশু সারোয়ারের বাড়ি’র লোকজন যখন তাকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটাছুটি করছে ঠিক সেসময় পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রিয়া ও তার অন্যান্য অত্বিয়রা সুমি বেগমের ঘরে প্রবেশ করে ঘরে রাখা নগদ টাকা ও প্রায় ১৬ ভরি স্বর্নালংকার চুরি করে নিয়ে যায় বলে মামলারএজাহারে অভিযোগ করেছেন ওই শিশুটির মা ও মামলার বাদী সুমি বেগম ।

পরে শিশু সারোয়ার কিছুটা সুস্থ হলে ঘটনার ২ দিন পর সুমি বেগম বাড়ি ফিরলে দেখতে পায় তার ঘরের স্বর্নালংকার ও নগদ টাকা নেই। প্রাথমিক ভাবে আশপাশের লোকজনের মাধ্যমে জানতে পারে এ ঘটনার সাথে শিশুটিকে হত্যার চেষ্টার পরিকল্পনাকারী রিয়া ও তার আত্বীয়রা জড়িত।

পরে ৭ মে সুমি বেগম বাদী হয়ে রিয়া ও তার মা-বাবা, ভাইসহ ৫ জনকে আসামী করে শ্রীবরদী থানায় একটি হত্যা প্রচেষ্টা ও চুরি’র অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে এ বছরের ৩১ আগষ্ট আদালতে রিয়াসহ অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!