শেরপুর-৩ আসন: চাচার ‘হ্যাটট্রিক’ না ভাতিজার পুনরুদ্ধার

নাঈম ইসলাম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর- ৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন চাচা-ভাতিজা। এ লড়াইয়ে ইতোমধ্যেই স্থানীয় রিটানিং অফিসারের কাছে পৃথক পৃথকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফজলুল হক চাঁন ও তার ভাতিজা বিএনপি মনোনিত প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক সাংসদ মাহমুদুল হক রুবেল।

জানা যায়, ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালে ইঞ্জিনিয়ার একেএম ফজলুল হক চাঁন নৌকা প্রতীক নিয়ে তার আরেক ভাতিজা স্বতন্ত্র প্রার্থী হেদায়াতুল ইসলামের সাথে প্রতিদ্ধন্দ্বীতা করে ৯৬ হাজার ২৩৪ ভোটে বিজয়ী হন। হেদায়াতুল ইসলাম পেয়েছিলেন ৮ হাজার ৫৪৮ ভোট।

৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফজলুল হক চাঁন নৌকা প্রতীক নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ভাতিজা মাহমুদুল হক রুবেলের সাথে প্রতিদ্ধন্দ্বীতা করে ১ লাখ ৬ হাজার ৬৩১ ভোট পেয়ে নিবাচিত হন। আর রুবেল পায় ৬৫ হাজার ৭৫৩ ভোট।

৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০১ সালে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এম এ বারীর সাথে প্রতিদ্ধন্দ্বীতা করে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাহমুদুল হক রুবেল ৮৬ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন। আর বারী পায় ৫৮ হাজার ৩৯৬ ভোট।

এ আসন থেকে চাচা ফজলুল হক চাঁন আওয়ামীলীগ থেকে দুইবার এবং ভাতিজা মাহমুদুল হক রুবেল দুইবার ধানের শীষ প্রতীকে আর একবার স্বতন্ত্র (উপ-নির্বাচনে) সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ তেমন কোন আর প্রার্থী না থাকায় এবারের মূল লড়াই হবে চাচা-ভাতিজার মধ্যে। চাচার “হ্যাটট্রিক” না ভাতিজার পুনরুদ্ধার এ নিয়ে চলছে সাধারণ ভোটারদের মাঝে নানা হিসাবের সমীকরণ।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।