You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

শেরপুর-২ আসনে মতিয়া চৌধুরীর প্রতিদ্বদ্বী বিএনপি’র রিপন

শেরপুর-২ (নালিতাবাড়ী-নকলা) সংসদীয় আসন ১৪৭-এ বিএনপি থেকে দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন সদ্য পদত্যাগী নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক একেএম মুখলেছুর রহমান রিপন। শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দলটির নির্ভরযোগ্য সূত্র কেন্দ্রীয় বিএনপি’র এ সিদ্ধান্তের কথা চূড়ান্ত করেছেন। তিনি এখন আওয়ামী লীগের প্রার্থী দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সাথে লড়বেন।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত পত্রে এ আসন থেকে তিন জনকে দলের মনোনয়নপত্র প্রদান করা হয়। এরমধ্যে একেএম মুখলেছুর রহমান রিপন বেলা বারোটার দিকে, এর কিছুক্ষণ পর চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এম. হায়দার আলী ও রাত দুইটার দিকে মরহুম জাহেদ আলী চৌধুরীর পুত্র প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী দলের মনোনয়ন প্রাপ্ত হন।

২ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই শেষে একেএম মুখলেছুর রহমান রিপনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন কর্তৃপক্ষ। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের মন্ত্রণালয় কর্তৃক গ্রহণের কপি না থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। পরে নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগে আপিল করলে ৫ ডিসেম্বর তার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

অবশেষে ৭ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাকে চূড়ান্তভাবে শেরপুর-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বদ্বিতা করতে মনোনিত করা হয়। আগামী ৩০ ডিসেম্বর চার বারের সংসদ সদস্য ও তিন বারের মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরীর সাথে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন তিনি।

উল্লেখ্য, একেএম মুখলেছুর রহমান রিপন শেরপুর সরকারী কলেজে পড়াশোনা অবস্থায় জেলা ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রীয় ছিলেন। ওই সময় নানা রাজনৈতিক মামলায় তিনি জড়িয়েছেন। এরপর ২০০৩ সালে তরুণ বয়সেই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়ে তার নিজ এলাকা নন্নী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৭ সালে দ্বিতীয় বারের মতো তিনি ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের আমল (ওয়ান ইলেভেন) মিলে তিনি দীর্ঘ সময় এ দায়িত্ব পালন করে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। একপর্যায়ে দলীয় প্রার্থী নির্বাচন ছেড়ে দিলে তাকেই দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং আওয়ামী লীগের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর সঙ্গে তুমুল প্রতিদ্বদ্বিতা করে তিনি নির্বাচিত হন।

তার ছোট ভাই একেএম মাহবুবুর রহমান রিটন বর্তমানে নন্নী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। বড় ভাই মোস্তাফিজুর রহমান আব্দুল্লাহ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক। তার বোন জেসমিন আক্তার ঝিনাইগাতি উপজেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি, ফরিদা নাজনীন শ্রীবরদী উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি, সাবিনা ইয়াসমিন বিউটি জামালপুর জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তার বাবা মরহুম আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান নন্নী ইউপি’র নির্বাচিত সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন। তার জেঠা এডভোকেট হাবিবুর রহমান মৃত্যুকালীন সময় পর্যন্ত জেলা বিএনপি’র সভাপতি ছিলেন।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!