You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

শেরপুর স্টেডিয়ামের উন্নয়নের কাজ ৩০ভাগ সম্পন্ন হয়েছে

শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ৩৮ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলেছে। গত অর্থবছরের শেষ দিকে শুরু হওয়া শেরপুর স্টেডিয়ামের সার্বিক উন্নয়ন কাজ ইতোমধ্যে শতকরা ৩০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্টেডিয়াম হিসেবে রূপলাভ করবে। গ্যালারির ধারণ ক্ষমতা হবে ১৬ হাজার। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন প্যাভিলিয়ন নির্মিত হচ্ছে। ইনডোর সুবিধা বাড়বে। এতে স্থানীয়ভাবে নিয়মিত খেলাধুলা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন ক্রীড়াঙ্গনের সাথে সংশ্লিষ্টরা।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পরিদর্শন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইইএমডি) উপ-সচিব মুজিবুল ফেরদৌস ১৮ আগস্ট শনিবার দুপুরে সরজমিনে এ নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি কাজের মান ও অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, কোনমতেই কাজের গুণগত মানে ঘাটতি মেনে নেওয়া হবেনা। এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে হবে। পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জন কেনেডি জাম্বিল, পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক নাজিমুল হক নাজিম, অতিরিক্ত সাদারণ সম্পাদক মানিক দত্ত, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হাকিম বাবুল, টেনিস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক তৈাহিদুর রহমান পাপ্পু সহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আইএমডি কর্মকর্তার পরিদর্শনকালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণায়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের তত্ববধানে এ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। স্টেডিয়ামের এক হাজার ফুট নতুন গ্যালারি সম্প্রসারণ, ৪ তলা আধুনিক প্যাভিলিয়ন ভবন নির্মাণ, ইনডোর জিমনেশিয়াম, মাঠ সংস্কার, ফেন্সিং, সীমানা দেয়াল, ওয়াকওয়ে, ২টি গেইট নির্মাণ, টেনিস কোর্ট উন্নয়ন সহ ৪টি প্যাকেজের স্টেডিয়ামের এ উন্নয়ন কাজ চলছে।

গত অর্থবছরের শেষদিকে শুরু হওয়া উন্নয়ন কাজ শেষ হবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢাকার তমা কনস্ট্রাকশন ও কে.এম এন্টারপ্রাইজ এসব উন্নয়ন কাজ করছে। ইতোমধ্যে ৪টি প্যাকেজের কাজই শুরু হয়েছে এবং সার্বিকভাবে শতকরা ৩০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

পরিদর্শনের আগে আইইএমডি) উপ-সচিব মুজিবুল ফেরদৌস স্টেডিয়াম মিলনায়তনে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেন। সেসময় তিনি ঠিকাদারের কাজে কোন ধরনের অনিয়ম কিংবা গুনগত মান খারাপ দেখলে সাথে সাথে তাদের জানানোর অনুরোধ করেন। এসময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা পুরণো গ্যালারি এবং পুরণো সীমানা প্রাচীর সংস্কার এবং নতুন আরেকটি গেট তৈরীর জন্য অতিরিক্ত বরাদ্দের দাবী জানান। তিনি বিষয়টি নতুন করে ‘রিভাইস ইস্টিমেট’ করা যায় কীনা দেখবেন বলে জানান।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মো. নাজিমুল হক নাজিম জানান, ১৯৯৬ সালে শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেয়িামটি নির্মিত হয়েছিলো। এবার নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্টেডিয়াম হিসেবে রূপলাভ করবে। গ্যালারির ধারণ ক্ষমতা হবে ১৬ হাজার। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন প্যাভিলিয়ন নির্মিত হচ্ছে। ইনডোর সুবিধা বাড়বে। এতে স্থানীয়ভাবে নিয়মিত খেলাধুলা অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!