শেরপুর থেকে নিখোঁজ হওয়া সুজন মুক্তিপণে বগুরা থেকে উদ্ধার

শেরপুরের নকলা পৌরসভার চরকৈয়া এলাকা থেকে ১৪ এপ্রিল শুক্রবার থেকে নিখোঁজ হওয়া সেকান্দরের ছেলে সুজন (১৭)কে ২৩ এপ্রিল শনিবার ভোরে ৮০ হাজার টাকা মুক্তি পণের মাধ্যমে বগুরা থেকে উদ্ধার করেছে তার স্বজনরা।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত পহেলা বৈশাখ ১৪ এপ্রিল শুক্রবার বিকালে একই এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে মামুন তাকে (সুজনকে) কাজ দেওয়ার কথা বলে বগুরা নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে কৌশলে মামুন চলে আসে। নীর্জন ঘরে আটকে রেখে ৫দিন পর সুজনকে মুক্তি পণের বিষয়টি জানানো হয়। বলা হয় তাকে বিক্রি করে তার বড় ভাই (মামুন) ৮০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। ১৯এপ্রিল বুধবার সন্ধায় সুজনের মোবাইল নম্বর (০১৯৩৩৮৬৪৪৪৯) থেকে তাকে দিয়েই ঢাকায় অবস্থানরত তার বড় ভাই সেলিমকে ঘটনাটি জানানো হয়। তবে যেন পুলিশ বা অন্য কোন লোকজন বিষয়টি না জানতে পারে, জানলে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হবে; এই বলে সতর্কবাণী দেওয়া হয়।

সেলিম ঢাকা থেকে নকলায় এসে ২০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধায় নকলা থানায় ভাই হারানোর বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়রী (জিডি) করেন (জিডি নং ৬৪২, বেতার বার্তা নং ২৩)। সুজনের মোবাইলের মাধ্যমেই মুক্তিপণ দাবিদারদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে পিনু, নুরল ও সেলিম ২১ এপ্রিল শুক্রবার রাত্রে বগুরার চৌরাস্তা এলাকা থেকে রাত ২টার দিকে ৮০ হাজার টাকা দিয়ে সুজনকে উদ্ধার করে ২২ এপ্রিল দুপুরে নকলায় নিয়েএসে থানায় উদ্ধারের বিষয়টি জানান। রিপোর্ট লেখার পূর্ব পর্যন্ত মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ/মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মামুন ১৮/১৯ বছর যাবত ঢাকায় থাকে। মাঝে মধ্যে বাড়িতে আসলেও ২/১ দিনের মধ্যে চলে যায়। ঘটনার ২ দিন আগেও এসে এই ঘটনাটি ঘটালো। তাদের দাবি এ বিষয়ে গুরুত্ব না দিলে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

এবিষয়ে নকলা থানার অফিসারর্স ইনচার্জ (ওসি) খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, থানায় একটি জিডি হয়েছে এবং পরিবারের সদস্যরাই নাকি সুজনকে বগুরা থেকে উদ্ধার করে এনেছে। কোন অভিযোগ না পাওয়ায় কোন কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের