শেরপুরে সাবেক ফারর্মাস ব্যাংকের কর্মকর্তাদের দূর্নীতির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

শেরপুরে সাবেক ফারর্মাস ব্যাংক লিমিটেড যা (পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড)’র পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তাদের অনিয়ম-দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও গ্রাহক হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাতে শেরপুর প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন শেরপুরের ক্ষতিগ্রস্ত ঋণ গ্রাহকরা।

এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্ষতিগ্রস্ত ঋণ গ্রাহক সাইম আহম্মেদ খান। তিনি বলেন, শেরপুরে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড যা (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড)’র প্রতিষ্ঠার পর পরিচালনা পর্ষদের একজন নির্বাহী কর্মকর্তাসহ স্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অত্যন্ত চাতুরতার সাথে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে শেরপুরে প্রায় পাঁচশত জন সু-প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীকে তাদের গ্রাহক হিসাবে করায়াত্ব করে। এরপর মোটা অংকের ঋণ প্রদানের কথা বলে শুরু করেন গ্রাহক হয়রানী। চাহিদামত ঋণ আবেদনের পরই চাহিদিত টাকার বিপরীতে উৎকোচ হিসাবে নগদ ১০% হারে, ফাইল প্রসেসিং ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ ব্যাংকের সুনির্দিষ্ট আইনজীবির আইনগত মতামত পেতেও ব্যয় হয় মোটা অংকের টাকা। সব মিলিয়ে মঞ্জুরীকৃত ঋণের প্রায় ২৫% টাকা উৎকোচ হিসাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের পকেটস্থ হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভীষণ ২০২১ বাস্তবায়নে সহজ শর্তে উদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান ও ঋণ আদায়ে সুদের হার ০১ ডিজিটে নামিয়ে আনার জোর তাগিদ দিলে সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ব্যাংক ০১ ডিজিটের কার্যক্রম বাস্তবায়ন হাতে নিলেও ‘পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড’ তারা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। পদ্মা ব্যাংক সকল নিয়ম-নীতি অমান্য করে ক্ষেত্র বিশেষ ১৪ থেকে ১৭% (অর্থাৎ) ২ ডিজিটে ঋণ প্রদান ও ঋণ আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এছাড়াও আমাদের যাদের ঋণ খেলাপী হয়েছে তাদের শেরপুরে ঋণ নেওয়া থাকলেও ঋণের পরিমানের চেয়ে বেশি টাকা দাবী করে মামলা দায়ের করেছে বিভিন্ন আদালতে। এজন্য সুদবিহীন মূল টাকা নুন্যতম ১০ বৎসর মেয়াদে সহজ শর্তে কিস্তির সময় ও সুযোগ চাচ্ছে জেলার ঋণ খেলাপী প্রায় পাঁচশত জন মানুষ।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণ গ্রাহক ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফুল আলম সেলিম, মো. আব্দুল মোতালেব, ফরহাদ আলীসহ জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।