শেরপুরে গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন বাংলাদেশের সাধারণ সভা শেষ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন বাংলাদেশের ১২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা শেষ হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি (রবিবার) এই চার দিনব্যাপী উপজেলার হাড়িয়াকোনা ব্যাপ্টিস্ট মন্ডলীতে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।

‘বিশ্বাস-ই জীবনের বৈশিষ্ট্য’ মূলসুরের মধ্য দিয়ে এ সভার মূলবচন ছিলো “অবশেষে, হে ভ্রাতৃগণ, যাহা যাহা সত্য, যাহা যাহা আদরণীয়, যাহা যাহা ন্যায্য, যাহা যাহা বিশুদ্ধ, যাহা যাহা প্রীতিজনক, যাহা যাহা সুখ্যাতিযুক্ত, যে কোন সদগুন ও যেকোন কীত্তি হউক, সেই সকল আলোচনা কর’।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মিষ্টার জুয়েল আরেং। এসময় উপস্থিত ছিলেন গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন বাংলাদেশ জিবিসি’র সভাপতি পাস্টার পংকজ চাম্বু গং, জেনারেল সেক্রেটারী পাস্টর অভয় চিসিম, শ্রীবরদী উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমাসহ জিবিসি’র বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

এই চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত সভায় হিসাব-নিকাস, প্রতিযোগিতা, কনভেনশন ভবিষ্যতে কিভাবে চলবে তা পরিকল্পনা, নতুন নতুন অবগাহিত খ্রীষ্টান তৈরি করা হয়, কনভেনশন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পালক মনোনীত করে অভিষেক দেয়া।

অনুষ্ঠানে দেশ বিদেশ থেকে কয়েক হাজার খ্রীষ্ট ভক্তরা অংশ গ্রহণ করেন। চার দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে গারোদের ঐতিহ্যবাহী নাচ-গান ছিলো চোখে পড়ার মতো।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী উপজেলার ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা বলেন, গারো ব্যাপ্টিস্ট কনভেনশন বাংলাদেশ এটি ১৮৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রতি বছর এই ধর্মীয় আয়োজন হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট আটটি জেলা এবং ১১টি আঞ্চলিক বিভাগের অধীনে ১৫৭টি চার্চ আছে গীর্জা ঘর আছে, সেটার সমন্বয়ে গঠিত। ৩৫ হাজার জনসংখ্যা আছে এখানে।

প্রতিবছর ধর্মীয় হিসাব-নিকাস, প্রতিযোগিতা, কনভেনশন ভবিষ্যতে কিভাবে চলবে তা পরিকল্পনা, নতুন নতুন অবগাহিত খ্রীষ্টান তৈরি করা হয়, কনভেনশন পরিচালনার জন্য বিভিন্ন পালক মনোনীত করে অভিষেক দেয়াসহ বিভিন্ন স্থানে এই সভা হয়ে থাকে পালাক্রমে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।