শেরপুরে ক্রেতা আগ্রহ বাড়ছে মিমোজা ফ্যাশন হাউজে

ঈদ-উল-ফিতর সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে শেরপুরের ফ্যাশন হাউসগুলো। তারই ধারাবাহিকতায় সদ্য চালু হওয়া মিমোজা পরিবারের নতুন প্রতিষ্ঠান মিমোজা ফ্যাশন হাউজে ক্রেতা আগ্রহ বেড়েই চলছে। পছন্দের প্রিয় পোশাকটি কিনতে জেলা শহরের নিউ মার্কেট পৌর শপিংমলের এ প্রতিষ্ঠানটিতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। নতুন ডিজাইনের বাহারি সব পোশাকের চমক আর চোখ ধাঁধানো আনন্দদায়ক ডেকোরেশন ক্রেতা আকর্ষণ বাড়াচ্ছে ।

সকাল থেকে রাত অবধি কর্মীরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কারও দম ফেলার ফুরসত নেই। নতুন পোশাকে কানায় কানায় পূর্ণ এ ফ্যাশন হাউজটি । দেশীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে রুচিশীল ও মানানসই পোশাকের সমন্নয় থাকায় ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি স্থান করে নিয়েছে শেরপুরের ফ্যাশন প্রিয় মানুষের মনে। প্রতিদিনই তরুণ-তরুণী, শিশু-কিশোর ও মহিলারা আসছেন তাদের পরিবার পরিজনের জন্য ঈদ কেনাকাটা করতে ।

থ্রি পিস কিনতে আসা কলেজ পড়ুয়া তামান্না জান্নাত জানালেন, মিমোজা লাইফ স্ট্যাইল শপ ইতিমধ্যে তাদের পণ্য ও সেবা দিয়ে আমাদের আস্থা অর্জন করেছে । আমি বেশ কয়েক বার তাদের লাইফ স্ট্যাইল শপ থেকে কেনাকাটা করেছি । পত্রিকায় দেখলাম তারা মিমোজা ফ্যাশন হাউজ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান চালু করেছে তাই আসলাম কিছু পোশাক কিনতে । নিজের জন্য থ্রিপিস কিনতে এসে বাবা মার জন্য পোশাক ও ভাইয়ের জন্য পাঞ্জাবীও কিনেছি । প্রথমে তো ভেবে ছিলাম দাম হয়ত বেশি হবে তবে কেনার পর দেখলাম দাম খুব একটা বেশি নয়।

আরেক ক্রেতা নাঈম জানালেন , মিমোজা পরিবার ইতিমধ্যে শেরপুরের ক্রেতাদের মধ্যে তাদের অবস্থান তৈরী করে নিয়েছিলেন , শেরপুরের একটা বৃহৎ অংশ কেনাকাটা করতে ঢাকা বা ময়মনসিংহ যেত কিন্তু এখন আর যাবেনা কারণ হাতের নাগালে স্বল্পমূল্যে মান সম্মত পোশাক তো এখন শেরপুরেই পাওয়া যাচ্ছে ।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক তৌহিদুর রহমান সুমিত জানান , এবারের ঈদ কালেকশনের উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার। এবারে ঈদ পোশাকে একদিকে যেমন পাওয়া যাবে উৎসবের আমেজ, অন্যদিকে পাওয়া যাবে বর্ষার রূপ। সাদা, হলুদ, সবুজ, নীল, বেগুনিসহ সব ধরনের রঙয়ের ব্যবহারে তৈরি করা হয়েছে আমাদের সব পোশাক। পাশাপাশি প্রতি বছরের মতো এবারের ঈদে ছেলেদের পাঞ্জাবির কাটিং, প্যাটার্ন, লেন্স, কালারে এসেছে নতুনত্ব। এবারের ঈদে স্লিম ফিটিং পাঞ্জাবির প্যাটার্ন বেশি চলছে। সেই সঙ্গে লং, সেমি লং লেন্থ থাকছে। শর্ট পাঞ্জাবিও করা হয়েছে। তবে এর প্রচলনটা কম। রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল রঙের পাশাপাশি স্টাইপ, হালকা প্রিন্ট এসবও থাকছে। তবে ম্যাটেরিয়াল হিসেবে সুতির কাপড়ই প্রাধান্য পেয়েছে। কারণ গরমের এই সময়ে সুতির মতো আরামদায়ক আর কোন কাপড় হতে পারে না। আমরা আলাদা করে সাজিয়েছি পাঞ্জাবির ঈদ কালেকশন। ঈদে ট্রেডিশনাল পাঞ্জাবির পাশাপাশি হালকা কারুকাজ করা পাঞ্জাবি থাকছে। নানা ধরনের প্রিন্টের নক্সা করা পাঞ্জাবিও থাকছে। এ ছাড়া টাইডাই করা পাঞ্জাবিও পাওয়া যাচ্ছে। হাতা গলায় ও বোতামের ধার ধরে হালকা কাজ করা পাঞ্জাবি বেশ চলছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।