You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

শেরপুরের পাহাড়ী লাল গরুতেই নজর ক্রেতাদের

এক দিন পরেই ঈদুল আযহা। শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে জেলার প্রতিটি পশুর হাট। সোমবার (২০ আগস্ট) সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জেলার কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি পশুর হাটেই ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বাজারগুলো কোরবানির পশুতে কানায় কানায় ভরা। তবে হাটের অধিকাংশ গরুই দেশি ও স্থানীয়ভাবে লালন পালন করা।

গত কয়েকদিন ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে দর-কষাকষির চিত্র বেশি দেখা গেলেও আজ তা হচ্ছে না। নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে পশু কেনাবেচার চেষ্টা করছেন ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই। ক্রেতারা দেখে-শুনে পছন্দের গরুটির দরদাম করছেন। পছন্দ হলে মূল্য ও হাসিল পরিশোধ করে খুশিমনে পশু নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। যদিও গতকাল বিকেল পর্যন্ত ক্রেতাদের অধিকাংশ সময় দরদাম করতেই দেখা গেছে, বিক্রেতারাও চেষ্টা করেছেন ক্রেতাদের একটু বাজিয়ে নিতে।

সোমবার সকাল থেকে পাল্টে যাওয়া হাটের চিত্র সম্পর্কে ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন- অন্য রঙের গরুর চাইতে লাল গরুর প্রতি সবার আলাদা ঝোঁক আছে। আবার শেরপুরের সীমান্তঘেঁষা পাহাড়ী জনপদের খামাড়ীদের গরুর প্রতিও জেলার ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। তাই শেষ সময়ে সবার নজর পাহাড়ী লাল গরুর দিকেই। বিক্রেতারা বলছেন, পাহাড়ী খামাড়ের গরু মোটাতাজাকরণের জন্য কোন ওষুধ প্রয়োগ করা হয় না। এই গরু গুলো সবুজ ঘাস খেয়েই বেড়ে ওঠে।

সরেজমিনে বেশ কয়েকটি পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে এমনই চিত্র। ক্রেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, যাই হোক আজ কোরবানির পশু কিনেই বাড়ি ফিরবেন। গত দু’দিনে বেশ কয়েকটি বাজারে ঘুড়েছেন। তবে দাম চড়া ছিল, তাই পশু কেনা হয়নি। আজ একটু এদিক-ওদিক করে কোরবানির পশু কিনে ফেলবেন। বাজারও কিছুটা নমনীয় মনে হচ্ছে।

মেয়ের আবদার মেটাতে পছন্দের লাল গরু কিনতে হাটে এসেছেন এরশাদ আলী। এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, বরাবর কালো গরু কিনলেও এবার মেয়ের পছন্দে লাল গরু কিনতে এসেছি। তবে লাল গরুর দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।

বিক্রেতা আনছার মিয়া বলেন, ‘চাঁদরাতের মতো বাজার জমে গেছে। শেষ দিনে বাজারে দাম বাড়তে পারে, তাই সব ক্রেতারা বাজারে চলে এসেছেন। আগে এমন হতো না। আমরাও তাদের হতাশ করছি না। আজ কোরবানির পশু আমার থেকে না কিনলে অন্য কারো কাছ থেকে ঠিকই কিনে নেবে। তাই দেখে-শুনে ছেড়ে দিচ্ছি। সকাল থেকে ৬টা গরু বেচলাম। সবগুলোই লাল রঙের পাহাড়ী গরু। রাতের মধ্যে আরও গরু বিক্রি হবে।’

তবে ভিন্ন মত আরেক বিক্রেতা কামরুলের। তার মতে, ‘আজ যত কমেই দেই কিছু ক্রেতা আছে তারা বাজারে ঘুরবেই। ঘুরে-ফিরে আগামীকাল শেষ সময়ে বেশি দামে কোরবানির পশু কিনবে। অনেক বিক্রেতাও এমনই। যত ভালো দামই পাক, আরও বেশি দামের আশায় আজ গরু বেঁচবে না।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!