শেরপুরের নকলায় ডাকাত সন্দেহে এক যুবক গনপিটুনীর শিকার

শেরপুরের নকলায় বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের বাউসা এলাকার মোজার বাজার রাস্তায় গেল শনিবার রাত আনুমানিক দশটার দিকে ডাকাত সন্দেহে জনতার গনপিটুনীর শিকার হলেন এক নিরহ যুবক ।
পুলিশ জানায়, বাউসা ও কবুতরমারি এলাকায় গত কয়েকদিন যাবৎ ছিনতাই ও ডাকাতির মত বিছিন্ন ঘটনা ঘটে আসছিল। সেই প্রেক্ষিতেই নকলা থানার এসআই নূর-ই- আলম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বাউসা যাওয়ার পথে রামপুর এলাকার নাজিমউদ্দিনের পুত্র সমাজ (৩০) ও অজ্ঞাত আরেক ব্যক্তিকে মোটর সাইকেল যোগে দ্রুত বেগে যাওয়া দেখে গাড়ির সামনে দাড়িয়ে থামতে বলে। পরে গাড়ি সহ সমাজের দেহ তল্লাসী শুরু করে এবং পুলিশ পরিচয় দেওয়াতে মোটরসাইকেলের পিছনের অজ্ঞাত ব্যক্তি ভয়ে দৌড়ে পালাতে দেখে পরে স্থানীয় জনতা ডাকাত সন্দেহে সমাজকে গনপিটুনী দিতে শুরু করলে এস আই নূর বিক্ষুব্ধ জনত কে শান্ত করে সমাজকে নিজ হেফাজতে নেয় ।

পরে নকলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত ওসি) খান আব্দুল হালিম সিদ্দিক ঘটনাস্থলে আসেন এবং আহত সমাজকে নকলা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেসে নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে নিজ হেফাজতে রাখেন।
নকলা থানা পুলিশ রবিবার সকালে ৯নং ইউপি চেয়ারম্যান সাজু সায়েদ সিদ্দীকি সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা করে সমাজকে তার পরিবারের জিম্মানামায় ছেড়ে দেন।
৫নং ইউপি চেয়ারম্যান মোহাব্বত জানান, সমাজকে ভুলবুঝে জনতা ডাকাত ভেবে গনধোলাই দিছে আর পুলিশ তাৎক্ষনিক গ্রেফতার করে একটি নিরপরাধ প্রানকে বাচিয়েছেন।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান আব্দুল হালিম সিদ্দিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ প্রতিবেদককে জানান আসলে এই ঘটনা সম্পূর্ন ভূলবোঝাবুঝি । সমাজ ডাকাত নয় তা এলাকার লোকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের