শেরপুরের আলোচিত তরুণ মুখ এমদাদুল হক রিপন

ইতিহাস লিখেন বয়স্ক এবং অভিজ্ঞরা, কিন্তু ইতিহাস তৈরি করেন তরুণরা। বাংলাদেশের তরুণদেরও রয়েছে সম্বৃদ্ধ ইতিহাস। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ঊনসত্তুরের গণ অভ্যুত্থান, একত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে তরুণ বা যুব সমাজ। এতো গেলো আন্দোলনের ইতিহাস। আবার বিভিন্ন সামাজিক দায়বদ্ধতা, বিভিন্ন র্দূযোগ মোকাবিলায় তরুণ যুব সমাজ সকল বাধা বিঘ্নকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায় আলোর মশাল হাতে। এমন বহু ঘটনার ইতিহাস আছে আমাদের সমাজে।

সমাজ পরিবর্তনে বা সমাজের নানা অসঙ্গতি দূর করতে তরুণদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি কিছু তরুণ সমাজের জন্য কাজ করে যান নিঃস্বার্থভাবে। যারা নিজ মেধার আলোয় নিজের চারপাশের জগৎটাকে ভিন্নভাবে দেখতে চান। নাচ, গান, বিতর্ক, অভিনয়সহ বিভিন্ন সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণরা আজ সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি দূর করতে কাজ করছেন। তেমনি নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়া তরুণ মুখ এমদাদুল হক রিপন।

বিতার্কিক রিপন বলেই সমধিক পরিচিত তিনি। শেরপুর সদর উপজেলার তালুকপাড়া গ্রামে ১৯৯৮ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী জন্ম গ্রহণ করেন রিপন। আলী আজম ও ফেরদৌসী বেগম দম্পতির ছেলে রিপনের স্কুল জীবন থেকেই বিতর্কের প্রতি বাড়তি অনুরাগ ছিল। চেষ্টা ছিল বড় বিতার্কিক হবার। শেরপুর সরকারী ভিক্টোরিয়া একাডেমী থেকে স্কুল জীবনের গন্ডি পেরিয়ে শেরপুর সরকারী কলেজে এইচএসসি সম্পন্ন করেন রিপন।

শেরপুর সরকারী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শিব শংকর কারুয়ার অনুপ্রেরণায় কলেজে আবারো নতুন উদ্যোমে বিতর্কের সাথে যাত্রা শুরু করেন রিপন। নতুন করে প্রচেষ্টা নিয়ে আবারো স্বপ্ন দেখা শুরু করেন। ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করেন শেরপুর সরকারী ডিবেটিং ক্লাবের আহবায়ক হিসেবে। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে একই সংগঠনের সভাপতি ও বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। শেরপুরের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ৪ বার দুদক আয়োজিত বিতর্কে অংশগ্রহণ করেন।

বর্তমানে তিনি শেরপুর সরকারী বিবিএ ২য় বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। কাজ করছেন বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কার্যক্রম ও রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করণ কার্যক্রমে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের