You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

মুক্তিজোটের ‘জাতীয় পরিষদ’গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন মুক্তির সংবাদ সম্মেলন

প্রেস রিলিজ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জটিলতা দূর করার জন্যে নির্বাচনকালীন সরকারের রুপরেখা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে রাজনৈতিক দল ‘মুক্তিজোট’। নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল নিয়ে নির্বাচনকালীন ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠনেরও দাবি জানিয়েছেন দলটি। এর মাধ্যমে নির্বাচন জটিলতার সকল সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব, এমন দাবিও মুক্তিজোট নেতাদের।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাবি করেন মুক্তিজোটের কেন্দ্রিয় নেতৃবৃন্দ। এ সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুক্তিজোটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনকালীন সরকারের রুপরেখা বাস্তবায়নের জন্যে তিনটি ঘোষণাও ষ্পষ্ট করেছে দলটি। এই ঘোষণাগুলো হল, ১.নির্বাচনকালীন সময় নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থাকার আইন পাশ করতে হবে। ২. নির্বাচন কমিশনে মুক্তিজোটের প্রস্তাবিত জাতীয় পরিষদকে সাংবিধানিক রুপ দিতে হবে। এবং ৩. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক চলমান সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে সরকার প্রধানকে ‘জাতীয় পরিষদের’ নির্বাহী প্রধান নির্দিষ্ট করে নির্বাচনকালীন সরকারের ঘোষণা দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে প্রেসনোট পড়ে শোনান এবং সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হন মুক্তিজোট এডিটরিয়াল বোর্ড প্রধান ক্রিস্টিও মারিও দ্য শিল্পী দাস।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সংগঠন প্রধান আবু লায়েস মুন্না, জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি প্রধান মো. সিরাজুল ইসিলাম, কাঠামো পর্যদ আমিরুল, কন্ট্রোল বোর্ড প্রধান মো. বদরুজ্জামান রিপন এবং বীপ্র প্রধান একএম শাহনেওয়াজ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ‘সংসদ নয়, বরং নিবন্ধন শর্তেই সংবিধানসম্মত ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ এর রুপরেখা ঘোষণা করছি আমরা। আশা করছি আমাদের প্রস্তাবটি শিগ্রই বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এ প্রস্তাব প্রথম বারের মতো তারা ঘোষণা করেছে গত বছরে র ২৪ শে আগস্ট  নির্বাচন কমিশনের সংলাপে।

বক্তারা বলেন, এ রুপরেখা হবে বাংলাদেশে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানদের নিয়ে ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠনের মাধ্যমে। ‘জাতীয় পরিষদের’ প্রধান হবেন বর্তমান সরকারের রাষ্ট্রপতি এবং নির্বাচন কমিশনই নির্বাচন পরিচালনা করবেন ও হবু প্রধানমন্ত্রী বা পরবর্তী সরকার যিনি হবেন, তাকে ‘জাতীয় পরিষদই’ ক্ষমতা বুঝিয়ে দিবে।

বক্তরা আরো বলেন, যেহেতু তত্বাবধায়ক সরকার বা সহায়ক সরকার যে নামেই আমরা ডাকি না কেন, এ  বির্তকের আবসান আপাতত সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হলেও বাস্তব প্রেক্ষপটে এ বির্তকের অবসান আদৌ ঘটেনি। তাই সময় বলছে ‘জাতীয় পরিষদের’ ই পারে সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে একটি মঞ্চে একত্রিত করে ‘জাতীয় রাজনৈতিক ঐক্য’ গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক অনাস্থার সংকট কাটাতে পারবে এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্যে একটি চমৎকার পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।

নিরদলীয় সরকার ব্যবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বক্তারা বলেন, তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার পর এতদিন রাজনৈতিক দলগুলো যে নির্দলীয়তার শর্ত দিচ্ছে, তা হলো সরকারের প্রভাবমুক্ত তথা ক্ষমতাসীনদের প্রভাবমুক্তকেই তারা বুঝিয়েছেন। যেহেতু ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠিত হবে সকল রাজনৈতিক দলের দলীয় প্রধানদের মাধ্যমে, সেহতেু এই  বির্তক আর থাকবে না।

কিন্তু বর্তমান সরকারের রাষ্ট্রপতিই কেন মুক্তিজোটের প্রস্তবিত জাতীয় পরিষদের প্রধান হবেন, সাংবাদিকদের  এমন প্রশ্নের জবাবে মুক্তিজোটের এডিটরিয়াল বোর্ড প্রধান ক্রিস্টিও মারিও দ্য শিল্পী দাস বলেন, আমাদের প্রস্তাবে আমরা সাংবিধানিক পদকে গুরুত্ব দিয়েছি, ব্যক্তিকে নয়। তবে প্রস্তাবটি গৃহীত হলে পরবর্তীতে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে পরিবর্তন করা যাবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!