বিএফএফ- সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে চ্যাম্পিয়ন নবারুন পাবলিক স্কুল

শেরপুরে পুলিশ লাইন্স একাডেমী ফর ক্রিয়েটিভ এডুকেশন বিদ্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় সঙ্গীতের মধ্যে দিয়ে বুধবার সকালে বিতর্ক উৎসবের উদ্বোধন করেন নকলার ইউএনও প্রাবন্ধিক রাজিব কুমার সরকার। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় জেলার ৮টি দল। এতে নবারুন পাবলিক চ্যাম্পিয়ন ও ফৌজিয়া মতিন স্কুল রানার্স আপ হয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় চ্যাম্পিয়ন দলের দলনেতা মাহমুদা মাসুদ মিম। প্রতিযোগিতার সেরা বক্তা হন সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের নাওয়ার সালসাবিল দুরদানা। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অপর দলগুলো হলো শেরপুর সরকারী ভিক্টোরিয়া একাডেমী, সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পুলিশ লাইন্স একাডেমী ফর ক্রিয়েটিভ এডুকেশন, অনুরণ এক্সক্লুসিভ স্কুল ও ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসা ।

উদ্বোধনী পর্বে অতিথি ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার নূরল ইসলাম হিরো। সুহৃদ সমাবেশের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা তালাপতুফ হোসেন মঞ্জুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষাবিদ ড. বিভূতি ভ’ষন মিত্র, সাংবাদিক হাকিম বাবুল, শেরপুর ডিবেট ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক ইমতিয়াজ চৌধুরী শৈবাল, অধ্যক্ষ ফজলুর রহমান।

দ্বিতীয় পর্বে উৎসবের প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির রুমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) খালিদ বিন নূর। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ আবুল কালাম আজাদ, সুহৃদ সমাবেশের জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রভাষক কাউসার আহমেদ, সরকারী কলেজের সভাপতি পলাশ আহমেদ। পরে প্রধান অতিথি ও অন্য অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলের হাতে ক্রেষ্ট ও ৮টি দলের প্রতিযোগীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন। প্রতিযোগিতা সমন্বয় করেন সমকাল শেরপুর জেলা প্রতিনিধি দেবাশীষ ভট্টাচার্য। বিচারক ছিলেন, নকলা হাজি জাল মাহমুদ কলেজের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, ইটিভি জেলা প্রতিনিধি শরিফুর রহমান, চ্যানেল আই প্রতিনিধি, হাকিম বাবুল, শেরপুর কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি এমদাদুল হক রিপন, সম্পাদক শুভঙ্কর সাহা, সদস্য মুইমেন আহমেদ, তানভির রানা ও মাহমুদুল হাসান সুমন।

উৎসবের দুই পর্বে বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। কিন্তু তারপরও দেখতে পাচ্ছি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কুসংস্কারের ছড়াছড়ি। ধর্মান্ধ ও মৌলবাদের আগ্রাসন। এমনকি ধর্মের ভ্রান্ত ব্যাখ্যা করে আত্মঘাতি হামলা হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। আমরা যদি তরুণ শিক্ষার্থীর মনে বিজ্ঞানের চেতনা, যুক্তিবাদী চেতনার প্রসার ঘটাতে পারি তাহলে এ সামাজিক ব্যাধি থেকে আমরা মুক্তি পেতে পারি। বিজ্ঞানের চেতনায় তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলতে ও জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গঠনে বিগত ৬ বছর সমকাল অনন্য অবদান রাখছে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের