You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে ভিশন ২০২১ কে অতিক্রম করে ভিশন ২০৪১ এর পথ-কৃষিমন্ত্রী

কৃষি মন্ত্রীর সাথে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এর (এডিবি) প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ

কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, দেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে ভিশন ২০২১ কে অতিক্রম করে ভিশন ২০৪১ এর পথে। বাংলাদেশ সক্ষম ও বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। আমাদের সক্ষমতার প্রমান নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা মা ও শিশু স্বাস্থ্যসহ প্রাথমিকে শিশু ভর্তির হার শতভাগ ও ঝড়ে পরার হার হ্রাস করেছে এবং বছরের প্রথম দির সকল শিশুদের হাতে বিনামূল্যে বই তুলে দেয়া। বাংলাদেশের কৃষকদের উদ্ভাবনী চিন্তার ফলে এখন দেশের জমি ৩.৫ (সাড়ে তিন) ফসলি। স্বাস্থ্য সম্মত নিরাপদ সবজির ওপর সর্বদিক গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বায়োটেকনোলজি বা জীবপ্রযুক্তিবিদ্যার ব্যবহার দিকে অগ্রসর হচ্ছে বাংলাদেশ। যার ফলে আমাদের খাদ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং সুলভ মূল্যে ঔষধ এবং প্রতিষেধকের নিশ্চয়তার সম্ভাবনা বৃব্ধি পাবে।

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর সাথে মন্ত্রণালয় তার অফিস কক্ষে মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি ) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক(এডিবি) এর এক প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ কালে তিনি এসব কথা বলেন ।এ সময় প্রতিনিধি দলেন নের্তৃত্ব দেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) কান্ট্রি ডাইরেক্টর Manmohan Parkash.

মন্ত্রী এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের কিছু চিত্র তুলে ধরেন বলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ,দূরদর্শী ও অগ্রসর চিন্তার নেতৃত্বের ফলে কৃষির আধুনিকায়নে আমরা বিশ্বের অনেক দেশের থেকেই এগিয়ে আছি। বাংলাদেশের বিজ্ঞানিরা তাদের মেধা ও সক্ষতা দিয়ে ক্ষতিকারক পোকার প্রতিরোধক জিন সন্নিবেশ করে নতুন বেগুনের জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা পাটের জিনোম এবং পাটের কান্ড পঁচা রোগের জন্য দায়ী ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্সে সক্ষম হয়েছে। যার ফলে ভবিষ্যতে মজবুত আঁশযুক্ত পাট বা কান্ড পঁচা রোগ প্রতিরোধী জাতের উদ্ভাবন সহজতর হবে। বন্যা সহনশীল ধানের পরীক্ষা চলছে এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ভিটামিন এ সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইসের বাণিজ্যিকীকরণ করতে পারবে। ক্রিস্পার ক্যাস নাইন (CRISPR-CAS9) নামক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞানীরা ব্লাস্ট প্রতিরোধী ধান উৎপাদনে সক্ষম হয়েছে। জলবায়ূ পরিবর্তনের সাথে মোকাবেলা করে খাদ্য উৎপাদন বহাল রাখতে জীবপ্রযুক্তির জ্ঞান অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে ।

কান্ট্রি ডাইরেক্টর Manmohan Parkash  কৃষিসহ সবক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশকে সহায়তা প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বিদ্যুৎ,শিক্ষা ,স্বাস্থ্য,অবকাঠামো উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের তীব্রতা হ্রাস এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ জ্বালানি প্রকল্প ও আইটিসহ নান ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ঋণ সহায়তা প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক সবসময় পাশে থাকতে চায় বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ( Asian Development Bank) বা এডিবি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক হিসেবে ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নকে আরো দ্রুত, বেগবান ও সহজ করাই ব্যাংকটির মূল উদ্দেশ্য। ২০০৭ তারিখ পর্যন্ত ৬৭টি দেশ এর সদস্য। দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ এডিবি’র সদস্য পদ লাভ করে।

মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তথ্য ও জন সংযোগ কর্মকর্তা ( কৃষি মন্ত্রণালয়)একপ্রেস রিলিজএর মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!