ফলো-আপ ॥ অবশেষে এসএসসির ফল পেল নকলার ৪১ শিক্ষার্থী

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৮ দিন অপেক্ষার পর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বাকাশিবো)’র আওতায় শেরপুরের নকলা উপজেলার ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪১ জনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে ৩৫ জন পাস করে। ১১ মে সকালে বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে ইলেকট্রিক ওয়ার্ক ট্রেডের নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৬ জন এবং পাঁচকাহুনিয়া আইডিয়াল টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ১৫ জনের প্রকাশিত ফলফলের শীট ডাউনলোড করে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের নোটিশ বোর্ডে ঝুলিয়ে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

শীট অনুযায়ী, নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৬ জনের মধ্যে ২৩ জন পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। এতে ওই বিদ্যালয় উপজেলার সর্বোচ্চ ৫২ জন জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে। পাঁচকাহুনিয়া আইডিয়াল টেনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের ১৫ জনের মধ্যে ১২ জন পাস করেছে। তাতে ওই কলেজের সিভিল কন্সট্রাকশন ট্রেডের ১৯ জনের মধ্যে ১২ জন এবং ইলেকট্রিক ওয়ার্ক ট্রেডের ১৫ জনের মধ্যে ১২ জন পাস করে। ৮ দিন পরে হলেও ফলাফল পেয়ে উৎফুল্ল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

মেহেদী হাসান, রাকিব হাসান, গোলাম রব্বানী ও আমিরুলসহ নতুন পাস করা অনেক শিক্ষার্থী জানায়, ফলাফলের এই অবস্থার জন্য না বুঝে শিক্ষকদের দোষারোপ করেছিল। বিষয়টি বুঝার পরে তারা অনুতপ্ত হয়ে শিক্ষাগুরুদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাসহ সবার দোয়া কামনা করছে তারা। এ বিষয়ে নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান, সুরঞ্জিন কুমার বণিক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চার্মিনা আক্তার এবং আইডিয়াল টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ সুলতানা নুরুন্নাহার বলেন, ইলেকট্রিক ট্রেডের বাস্তব প্রশিক্ষণের নম্বর পত্র অনলাইনে প্রেরণের সময় বোর্ডের সার্ভারে সমস্যা থাকায় সঠিক সময়ে তা প্রেরণ করা সম্ভব হয়নি। তাই ইলেকট্রিক ওয়ার্ক ট্রেডের ফলাফল প্রকাশে সারাদেশ ব্যাপী ওই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ৮ দিন পরে হলেও ফলাফল পেয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা খুব খুশি।

নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক প্রতিনিধি রোকেয়া আক্তারসহ সচেতন মহল বলেন, প্রতিটি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পরে আশানুরুপ ফল না পাওয়ায় অনেক অবুঝ শিক্ষার্থী আত্মহত্যাসহ বিভিন্ন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটায়। বিপর্যয়পূর্ণ এফলাফল প্রকাশের পরে যদি কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটত তাহলে এর দায় কে নিত ? অতএব এমন বিপর্যয়পূর্ণ ফলাফল প্রকাশে যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে সংশ্লিষ্টদের আরও তৎপর হওয়া দরকার বলে মনে করেন তারা।

 

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের