You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে শেরপুরে চলছে বেপরোয়া মোটরসাইকেল

ছোট যান।  কিন্তু ঝুঁকি অনেক। টিনএজার সহ ছোটখাট ব্যবসায়ী বা চাকরীজীবিদের কাছে জনপ্রিয় ও শখের বাহন। এ বাহন এখন বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেপরোয়া মোটরসাইকেলের চালক যেমন নিজের জীবনকে বিপন্ন করে তুলছেন, তেমনি বিপন্ন করে তুলছেন অন্যের জীবনকে।  ঘটছে একের পর এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। আর ঝরছে তাজা প্রাণ। ছোট্ট গতির এ বাহনটি অপরাধীদের বাহন হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে।

মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ অনুযায়ী ১৮ বছরের কম বয়সী কেউ মোটরসাইকেল চালানোর অধিকারী না হলেও রাস্তায় হরহামেশাই অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালক দেখা যায়। এতে সস্তা মূল্যের বাহনটি এখন আতংকের আরেক নাম । সারাবছরে সড়কে কমবেশি দূঘর্টনা ঘটলেও ঈদ আসলে তা বেড়ে যায় কয়েক গুন । সারাদেশ থেকে শেরপুরে আসা টিনএজার প্রিয়জনের কাছে তুলে দেওয়া হয় ছোট এ বাহনটি ।

আর টিনএজারদের দূরন্ত গতির বাইক ভয়ংকর হয়ে দেখা দিয়েছে জনমনে। একটি-দুটি নয়, একসঙ্গে একাধিক। চোখের সামনে দিয়ে তীব্র গতিতে ছুটে চলে। হর্নের শব্দে কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই মোটরসাইকেলচালকদের। শহরের ব্যস্ততম সড়ক নিউমার্কেট, কাকলী মার্কেট, শহীদ বুলবুল সড়ক ,খোয়ারপাড় , থানামোড় সহ নানা স্থানে দুরন্ত গতির এই বাইকগুলো চলছে হরহামেশায় ।

তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে শেরপুর নিউ মার্কেট এলাকার মিমোজা এন্টার প্রাইজের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন বাচ্চু শেরপুর টাইমসকে বলেন, ঘরে ঘরে উঠতি বয়সের ছেলেরা আজ এ ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনের দিকে ঝুঁকছে। মোটরসাইকেল চাপায় অনেক সময় নিহতের ঘটনা ঘটে। রাস্তা পার হওয়ার সময় বেপোরোয়া গতিতে আসা মোটরসাইকেলের চাপায় পড়েও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে অহরহ এই গুলো প্রতিরোধ করা খুব জুরুরী।

এ বিষয়ে শেরপুরের ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট রুবেল মিয়া শেরপুর টাইমসকে বলেন, বর্তমানে টিনএজার বাইকারের সংখ্যাই বেশি। ইদানিং তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ১৮’র নিচে অনেকের বয়স। মোটরযান আইনের ১৪৩ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হলেও অভিভাবকদের তদবির আসে। এক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। তবে এখনকার অধিকাংশ বেপরোয়া ছেলে কথা শোনে না। এ ধরনের বাইকারের বিরুদ্ধে ট্রাফিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং থাকবে।

এবিষয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল ) আমিনুল ইসলাম শেরপুর টাইমসকে এ বিষয়ে জানান, আমাদেরও বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হয়েছে , ঈদের সময় বেশ কিছু বাইকারদের আটক করে তাদের ও তাদের অভিভাবকদের সর্তক করে দিয়েছি । এ ধরনের দ্রুতগতির বাইক চালানো আমরা কোন ভাবেই সর্মথন করিনা । আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!