You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

নালিতাবাড়ীতে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় হামলার ১১ দিনেও গ্রেফতার হয়নি কেউ : মামলার বাদীকে পাল্টা হুমকী

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পানিহাতা ভ্রমন কেন্দ্রে স্ব-পরিবারে বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বখাটেদের কর্তৃক হামলায় বিজিবি সদস্যসহ ৯ জন আহতের ঘটনায় মামলা দায়েরের ১১ দিনেও কোন আসামীকেই গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ। উপরন্তু মামলার বাদীসহ তার বাড়ির লোকদের প্রতিনিয়ত দেখে নেওয়ার হুমকী দিয়ে বেড়াচ্ছে বখাটেরা।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ জুন সোমবার ঈদুল ফিতর এর দিন বেলা দেড়টার দিকে পানিহাতা গ্রামের বাসিন্দা ও রাঙ্গামাটির ছোট হরিণায় কর্মরত বিজিবি সদস্য জামাল উদ্দিনের তরুণী কন্যা তানজিনা, ভাতিজা রাসেল ও ভাতিজার স্ত্রী মীমসহ বাড়ির অন্য নারীরা পানিহাতা ভ্রমন কেন্দ্রে বেড়াতে যান। পথিমধ্যে পানিহাতার লালমাটি এলাকায় পার্শ্ববর্তী কালাকুমা গ্রামের বখাটে যুবক মামুন সঙ্গে থাকা ২ বন্ধুকে নিয়ে তানজিনাকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য ছুঁড়ে। এসময় চাচাতো ভাই রাসেল এর প্রতিবাদ করলে বিতর্কের একপর্যায়ে মামুন ফোন করে তার অন্যান্য বন্ধুদের ঘটনাস্থলে ডেকে আনে। এরপর ১০-১২ জনের একটি বখাটে দল তানজিনা ও তার ভাই-ভাবীসহ সঙ্গে থাকা অন্যান্য নারীদের বেধড়ক মারধর করে। মারধরের সংবাদ পেয়ে বাড়িতে থাকা তানজিনার পিতা বিজিবি সদস্য জামাল উদ্দিন ও তার অন্য ভাইয়েরা ছুটে এলে তাদেরও বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে আহত হয় ৯ জন। এরমধ্যে ৬ জনকে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য তানজিনা ও তার পিতা বিজিবি সদস্য জামাল উদ্দিনকে পিলখানা বিজিবি’র হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে ঘটনার পরদিন ২৭ জুন জামাল উদ্দিনের ছোট ভাই আশরাফুল আলম বাদী হয়ে বখাটে মামুনসহ ৫ জনকে নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জনকে আসামী করে নালিতাবাড়ী থানায় কু-প্রস্তাব দিয়ে যৌন হয়রানী ও মারধরের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে আসামীরা এলাকায় অবস্থান করে প্রতিনিয়তই বাদীসহ তার বাড়ির লোকদের দেখে নেওয়ার হুমকী প্রদর্শন করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অবশ্য উসমান আলী নামে একজন আসামী জামিনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, মামলাটির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার অমনোযোগিতার।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সবুরের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিবার যোগাযোগ করা হলে তিনি আসামীদের খুঁজে পাচ্ছেন না এবং ব্যস্ত আছেন বলে দ্রুত ফোন রেখে দেন।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত আসামী গ্রেফতারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!