নাকুগাঁও স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত একজনও সনাক্ত করা যায়নি

শেরপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারি নির্দেশনা পাওয়ার পর গত মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) নাকুগাঁও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াতকারীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্তকারী কি না তা যাচাই-বাছাই করার জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট দু’টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। এরা মেডিকেল ক্যাম্প করে দায়িত্ব পালন করছেন।

এই মেডিকেল টিম- ১ এ রয়েছেন মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ফাহমিদা হক, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নজরুল ইসলাম ও সহকারী স্বাস্থ্যপরিদর্শক রাবিয়া সুলতানা। টিম- ২ রয়েছেন মেডিকেল অফিসার নুসরাত তামান্না, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার আব্দুর রউফ খান ও স্বাস্থ্যসহকারী হনুফা খাতুন। এরমধ্যে ১নং টিম সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং ২নং টিম দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তারা যাতায়াতকারীদের প্রাথমিকভাবে চেকলিষ্টের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ করে করোনা ভাইরাস সনাক্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাক্তার রেহমা সারোয়াত সালাম জানান, নাকুগাঁও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে বেশির ভাগ বাংলাদেশিরাই যাতায়াত করে। তাই এখানে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি অনেকটাই কম। তারপরও আমাদের ৩ সদস্যের দুটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। আমরা নিয়মিত খোঁজখবর রাখছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই রোগের সিনড্রোম দেখা গেলেই রোগীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। তবে তিনি জানান, এক সপ্তাহে একজন রোগীও সনাক্ত করা যায় নি।

নাকুগাঁও স্থলবন্দরের কাষ্টমস অফিসার (দায়িত্বপ্রাপ্ত) আব্দুস সাত্তার জানান, বুধবার থেকে পুরোদমে ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট দিয়ে যাতায়াতকারীদের চেক করা হচ্ছে।

নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুর রহমান জানান, নাকুগাঁও স্থলবন্দরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত করনে ২টি মেডিকেল টিম কাজ করছে। গতকাল মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব এসব কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।

শেরপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার একেএম আনওয়ারুর রউফ জানান, ৩ সদস্য বিশিষ্ট গঠিত মেডিকেল টিম দু’টি নালিতাবাড়ীর নাকুগাঁও স্থলবন্দরে পর্যায়ক্রমে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের করোনা ভাইরাস আছে কি-না তা যাচাই করবে। কাউকে সন্দেহ হলে তাকে জেলা হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হবে। পরবর্তীতে ঢাকায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হবে। ওই আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১০টি বেড রাখা হয়েছে।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।