You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

নকলায় বাল্য বিয়ে অনুষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

শেরেপুরের নকলা পৌরসভার ধুকুরিয়া আফজালুন নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোসলিমা আক্তার মৌসুমী (১৩) এর বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান। মৌসুমী উপজেলার পিছলাকুড়ি গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের কন্যা। সে ছোট কাল থেকেই ধুকুড়িয়া মধ্যপাড়া তার নানার বাড়িতে থাকত। বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়ে মৌসুমী খুব খুশি হয়েছে। সে লেখাপড়া করে জাতি গড়ার কারিগর তথা আদর্শ শিক্ষক হতে চায়।

বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাতে গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ছাতুগাঁও গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র মো. গাফফারির সাথে মৌসুমীর বিবাহের প্রস্তুতি চলছে; এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান, এসআই মিজানুর রহমান ও পুলিশ সদস্য নিয়ে ধুকুড়িয়া আফজালুন নেছা বালিকা বিদ্যালয় সংলগ্ন মেয়ের নানার বাড়ি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। প্রশাসনের উপস্থিতি বুঝতে পেরে বরপক্ষের লোকজন পালিয়ে গেলেও পুলিশ বরের (গাফফারীর) চাচা মোহাম্মদ আলী ও রফিকুল ইসলামকে আটক করে এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা বন্ধ করে দেন।

পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ এর ৮ ধারা মোতাবেক বরের ওই দুই আটককৃত চাচাদের ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড, অনাদায়ে একমাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান। এছাড়া বিয়েতে খরচ বাবদ বরের মায়ের কাছ থেকে নগদ ৭ হাজার টাকা আদায় করে, মেয়ের মায়ের হাতে তুলে দেন।

ইউএনও জাহিদুর রহমান জানান, মাত্র কিছুদিন আগে নকলাকে জেলার প্রথম বাল্যবিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর পরে এই উপজেলায় বাল্যবিবাহতো বটেই কোন বাল্যবিবাহের আয়োজনকেও ছাড়দেওয়া হবেনা। মৌসুমীর পড়ালেখা চালিয়ে যেতে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!