নকলায় দ্বিতীয় বারের মতো উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত

শেরপুরের নকলা উপজেলার সুতিখালী নদীতে অবৈধ দখলমুক্ত করতে দ্বিতীয় বারের মতো উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ নদীতে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে করা মাছের প্রকল্প বা পুকুর দখল মুক্ত করতে এ অভিযান শুরু হয়।

এসময় এস্কাভেটর দিয়ে নদীর পাড়ের সকল অবৈধ গাছ ভেঙে দেয়াসহ নদীর ৪.৫৫ একর জমিতে অবৈধভাবে বাঁধ দিয়ে করা ২২ টি পুকুরের পাড় কেটে দিয়ে দখলমুক্ত করা ঘোষণা করা হয়।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম রাসেল এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) তোফায়েল আহমেদ, নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মজহারুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সার্ভেয়ার মামুন মিয়াসহ ভুমি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নদীর এপার থেকে ওপার পর্যন্ত বাঁধ বেধে পুকুর করায় নদীর স্বাভাবিক গাতি ও পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। বর্ষার সময় নদী উপচে ফসলি জমিতে পানি উঠায় বোরো মৌসুমে কৃষকরা ব্যপক ক্ষতির সম্মুখিন হন। পরিবেশ ও কৃষকের স্বার্থে এ অভিযান পরিচালনা করা চলছে বলে জানান বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মজহারুল ইসলাম।

জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল ইসলাম রাসেল জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারাদেশে একযোগে নদীর অবৈধ দখল মুক্ত করার অভিযান শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নকলা উপজেলার সুতিখালী নদীর অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে ডিসেম্বর মাসে সুতিখালী নদীর ৩ কিলোমিটার এলাকার অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ভাবে দখল মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। দীর্ঘদিন পর নদীর অবৈধ দখল মুক্ত হওয়ায় স্থানীয়রা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।