ধর্মীয় জাতিগত সংখ্যালঘু-আদিবাসী সম্প্রদায় অস্বিত্ব সংকটে পড়েছে – নকলায় রানা দাস গুপ্ত

বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাস গুপ্ত বলেছেন, বাংলাদেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু-আদিবাসী সম্প্রদায় অস্বিত্ব সংকটে পড়েছে। তিনি বলেন, যে চেতনা ও আদর্শের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল সেই চেতনা ও আদর্শ থেকে দেশ অনেক দূরে সরে গেছে। আজকের বাংলাদেশের সংবিধানে যেমন ধর্ম নিরপেক্ষতা আছে আবার একই সাথে রাষ্ট্রধর্মও আছে। এ সংবিধানে বঙ্গবন্ধু আছেন আবার একই সাথে জিন্নাহ সাহেবও আছেন। আবার জিয়া এরশাদের প্রেতাত্মার আভরন থেকেও সংবিধান আজও মুক্ত হতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের শত্রু সম্পত্তি আইনের অভিশাপ থেকে আমরা মুক্ত হই। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছার পরও দীর্ঘসময়ে সংশোধনী আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি।

১৩ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার শেরপুরের নকলা উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুঠোফোনে তিনি এসব কথা বলেন। পৌর শহরের উত্তর বাজার কালিমন্দির বর্হিপ্রাঙ্গনে ইন্দ্রজিৎ ধর সুভাষের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নকলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. সারোয়ার আলম, ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট দীপঙ্কর ঘোষ ও জেলা আহবায়ক দেবাশীষ ভট্টাচার্য। অভিজিত বনিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন কানু চন্দ্র চন্দ। অন্যান্যের মধ্যে জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য প্রদীপ রঞ্জন দে, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাদল চন্দ্র দে, প্রিয়তোষ সরকার, কমল চক্রবর্তী, নৃপেন ঘোষ প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ১০ ইউনিয়ন ও পৌরসভার সভাপতি-সম্পাদক এবং কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে ইন্দ্রজিত ধর সুভাষকে সভাপতি – অভিজিত বণিককে সাধারন সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট ঐক্য পরিষদের নকলা উপজেলা কমিটি ঘোষনা করা হয়।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের