You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

ঝিনাইগাতীতে বৃষ্টিতে কৃষকের স্বস্তি

এবার বর্ষাকালে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় খুব একটা বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে চলতি আমন মৌসুমে সিংহভাগ কৃষক জমিতে সেচ দিয়ে ধানের চারা রোপণ করে। কিন্তু রোপণের পরেও বৃষ্টি না হওয়ায় ধানের জমিগুলো ফেটে চৌ চির হয়ে যায়। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন কৃষকেরা। অবশেষে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের মনে স্বস্তি নেমে এসেছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার চলতি রোপা আমন মৌসুমে এ উপজেলায় ১৪ হাজার ৬’শ ৭৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে উপজেলায় বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে পানির অভাবে অনেক জমিই শুকিয়ে ফেটে চৌ চির হয়ে গিয়েছিল। সেচ দিয়েও তেমন কাজ হচ্ছিল না। এতে ক্ষতির আশঙ্কায় ছিলেন কৃষকেরা। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তিন দুফায় মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ঝিনাইগাতী গ্রামের কৃষক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘যাক এবার বৃষ্টিতে আত্মাটা শান্তি হইল। এডা-দুইটা ট্যাহা (টাকা) খরচ করে ধান লাগাইছি। ধান খেতো গেলে বাড়ি ফিরার শক্তিটা আর থাহে নাই। রাইতের বৃষ্টিতে শক্তিটা ফিরায়ে পাইছি। এহন সার-বিষ দিলেই ধান গাছ হয়ে উঠবো।’
গৃহ বধূ কোহিনুর বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে জীবন অস্থির হয়ে পড়েছিল। বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরে এসেছে, বৃষ্টিতে সবার প্রাণ জুড়িয়েছে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘বৃৃষ্টিতে চারদিকেই স্বস্তি নেমে এসেছে। রোপা আমন ধান চাষে প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ করা হয়েছে। তবে এ বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকেরা পানি পাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। ’

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!