ঝিনাইগাতীতে গৃহবধূ হত্যার অভিযোগে স্বামীসহ আটক দুই

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সালমা বেগম (১৯) নামে এক গৃহবধূ হত্যার অভিযোগে স্বামী ও দেবরকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- উপজেলার খৈলকুড়া গ্রামের মো. খলিলুর রহমানের ছেলে মো. বাবুল মিয়া (২৮) ও মো. আশিক মিয়া (১৫)। শনিবার সকালে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে স্বামী বাবুলের বাড়ির গোসলখানা থেকে তার (সালমা) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সালমা উপজেলার খৈলকুড়া গ্রামের বাবুল মিয়ার স্ত্রী ও গজারীকুড়া গ্রামের ছামিউল হকের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে উপজেলার খৈলকুড়া গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে বাবুল মিয়ার সঙ্গে গজারীকুড়া গ্রামের ছামিউল হকের মেয়ে সালমার বিয়ে হয়। এই দম্পতির ঘরে ছয় মাসের একটি কন্যা শিশু আছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে সালমার পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে খৈলকুড়া গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা বাবুলের বাড়ির গোসলখানার ভেতরে গৃহবধূ সালমাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি তারা পুলিশকে জানান। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গোসলখানা ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে বাঁধা সালমার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন সুকৌশলে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ও এলাকাবাসী সালমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পরে এ ঘটনায় সালমার বাবা মো. ছামিউল হক বাদী হয়ে স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি, দেবরসহ ৬জনকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

ঝিনাইগাতী থানার ওসি বিপ্লব কুমার বিশ্বাস এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের