গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট রেনিটিডিনে মিলেছে ক্যান্সারের উপাদান

গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসায় রেনিটিডিন ট্যাবলেটে মিলেছে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান। যে কারণে বিশ্ববাজার থেকে ওষুধটি তুলে নেওয়া ঘোষণা দিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারী ব্রিটিশ সংস্থা গ্ল্যাক্সো স্মিথ ক্লাইন (জিএসকে)।

বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা রেনিটিডিন ট্যাবলেটে ক্যান্সারের উপাদানের উপস্থিতির বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় এ ঘোষণা দেয় জিএসকে।

পাশের দেশ ভারতেও রেনিটিডিন ও এই গ্রুপের ট্যাবলেট জ্যানটেককে বাজার থেকে উঠিয়ে নিতে নির্দেশ দিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানটি।

আজ বৃহস্পতিবার ভারতের ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস তাদের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করে।

পাকস্থলীয় এসিড উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে রাখতে রেনিটিডিন ওষুধ সেবন করা হয়। একেক দেশে একেক নামে এ ওষুধ বিক্রি হয়। গ্যাসের চিকিৎসায় বিশ্বে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় রেনিটিডিন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট রেনিটিডিন সেবনের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করে। গত ১৩ সেপ্টেম্বরের ওই সতর্ক বার্তায় মার্কিন এফডিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, রেনিটিডিনে পরিবেশ দূষণকারী হিসেবে পরিচিত এনডিএমএর স্বল্পমাত্রার উপস্থিতি রয়েছে। পরিবেশ দূষণকারী এ উপাদান অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য এবং পানিতেও পাওয়া যায়।

গত বছর মার্কিন ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ ব্লাড প্রেসারের ওষুধ ভালসার্তান এবং লোসার্তানের ব্যাপারে তদন্ত করে। ব্লাড প্রেসারের এ দুই ওষুধে উচ্চ মাত্রায় এনডিএমএর উপস্থিতি পায় মার্কিন ফুড ও ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরে এই ওষুধ বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে রেনিটিডিন ও রেনিটিডিন গ্রুপের অন্যান্য সব ট্যাবলেট স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা স্যানডোজ।

শর্টলিংকঃ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।