‍”বাইরের কোন গাড়ি আসলেই এক্সিডেন্ট নিশ্চিত”

“আওয়ামীলীগ সরকার তো ভালাই কাজ করতাছে। কিন্তু আমগোর সড়কে কেন যে কাজ করতাছে না, বুঝতেছি না। শোনেন ভাই, আমরা তো এই রোডে নিয়মিত গাড়ি (ইজিবাইক) চালাই তাই এক্সিডেন্ট (দুর্ঘটনা) কম করি। বাইরের কোন গাড়ি আসলেই এক্সিডেন্ট নিশ্চিত। কারণ তারা সড়কের মাঝখানে ভাঙ্গা অংশে যে পানি জমে থাকে তা জানেন না। তাই না জেনেই গাড়ি চালাইতে গিয়ে এক্সিডেন্টের স্বীকার হতে হয় তাদের।” কথাগুলো এ প্রতিবেদককে বলছিলেন ঝিনাইগাতী-গোবিন্দগঞ্জ সড়কে ইজিবাইক চালক মো. শাহিন মিয়া।

পিচ আর ইট – সুরকি উঠে শেরপুরের ঝিনাইগাতী-গোবিন্দগঞ্জ সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির এই করুণ দশা হয়েছে। এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের পোহাতে হচ্ছে দুর্ভোগ। এ অবস্থায় সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ঝিনাইগাতী-গোবিন্দগঞ্জ সড়কটি ১০.৪ কিলোমিটার। এ সড়কটিতে সর্বশেষ ২০১৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে সংস্কারের কাজ করা হয়।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সড়কটির পিচ উঠে ইট – সুরকি বের হয়েছে এবং কোন কোন জায়গায় দেবে গিয়ে ছোট-বড় গতের্র সৃষ্টি হয়েছে। আর সৃষ্ট গর্তে পানি জমে আছে। সড়কের পাশে থাকা পুকুরগুলোর পাড় ধ্বসে সড়ক ভেঙ্গে গেছে। পুরোনো ওই সরু সড়কটি গত চার বছর আগে পাকাকরণের মাধ্যমে যান চলাচলের উপযোগী করে তুললেও তা আর সম্প্রসারণ করা হয়নি। এতে একটি গাড়ি আরেকটিকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারে না।

উপজেলার বনগাঁও গ্রামের কৃষক মো. কাশেম বলেন, ‘তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য উপজেলা সদরের হাটবাজারে নিতে হয়। কিন্তু এই ভাঙাচোড়া সড়কের কারণে ভ্যানচালকেরা যেতে চান না। গেলেও এ জন্য অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম শেরপুর টাইমসকে বলেন, ‘এই সড়কটি ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে রাজস্ব প্রকল্পের আাওতায় সংস্কারের কাজ করা হবে।’

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের