You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

এ যেন মরার উপর খড়ার ঘা !!!

গেল কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষনে ওঝোরধারায় ঝরেছে বৃষ্টি । আর এই বৃষ্টিই যেন কৃষকের চোখের অশ্রু হয়ে ঝড়ছে এখন । হাজারও স্বপ্নের সোনালী ফসল এখন পানির নিচে তলিয়ে আছে । এযেন স্বপ্নের অপমৃত্যু । অন্যদিেেক মরার উপর খড়ার ঘা হয়েছে  বিভিন্ন ব্যাংক, সমিতি থেকেনেয়া ঋনের কিস্তির চাপ । সব মিলিয়ে দিশেহারা কৃষক ।

পাহাড়ি ঢলে তলায় গেছে বুরো (বোরো) আবাদ। গরু মহিষের জন্য ধার করে আনছি খেড় (গরুর শুকনো খাবার)। চুলায় পানি জমে আছে ২দিন ধরে। এমন সময়ে কৃষি ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের পূর্ব সতর্কীকরণ জরুরী নোটিশ। এ কথাগুলো শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কালিনগর গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমানের।

এবার বোরো মৌসুমে তার আবাদকৃত ৪ একর জমির ধান পানির নিচে। জমিতে ভালো ফসল দেখে আশায় বুক বেধে ছিলেন তিনি হয়তো এবার ব্যাংকের ঋনসহ অন্যান্য ধার-দেনা পরিশোধ করা যাবে। কিন্তু তার স্বপ্ন এখন  ভেঙ্গে গেছে। এ অবস্থা এখন শুধু কৃষক ফজলুর রহমানের একার নয় উপজেলার বহু কৃষকের। কেউ কেউ অতিরিক্ত সুদে টাকা নিয়ে আবাদ করেছেন। বোরো আবাদ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তারা এবার কিভাবে মহাজনের সুদের টাকা পরিশোধ করবেন তা নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন।

কৃষি ব্যাংক উপজেলা শাখা সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলায় কৃষি ও কৃষি সম্পর্কিত ঋনের পরিমাণ ৩৯ কোটি ৭৭ লাখ ৯ হাজার টাকা। তন্মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৭ কোটি টাকা। আর এ ঋণ খেলাপি গ্রাহক সংখ্যা ১১শ’৫০জনকে গ্রেফতারী পরোয়ানা/মালামাল ক্রোকের পূর্ব সতর্কীকরণ জরুরী নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এবার বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। একদিকে ব্যাংকের ঋনের চাপ অন্যদিকে দিকে তলিয়ে গেছে বোরো আবাদ এ চিন্তায় এখন কৃষকের মাথায় হাত।

ঋণ আদায়ের ব্যাপারে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর এলাকা থেকে ঋণের টাকা তাগিদের ব্যাপারে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। কিন্তু এ উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোন চিঠি বা প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!