You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

আজ মা দিবস

নাঈম ইসলাম : পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর নাম ‘মা’। যেখানে স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসার স্থান। সন্তানের বিপদে, কষ্টে, হাজারও যন্ত্রণায় একমাত্র ভরসাস্থল। সন্তানের কাছে মা’র চেয়ে আপন আর কিছু নেই। আজ ‘বিশ্ব মা দিবস’। প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার ‘মা দিবস’ পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে আজ রোববার সর্বত্রই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। তবে মা দিবস শুধু একটি দিনের মধ্যে আটকে নেই। মাকে ভালোবাসা জানাতে কোনো দিনক্ষণ লাগে না, তবুও মায়ের জন্য ভালোবাসা জানানোর দিন আজ।

মায়ের জন্য ভালবাসা স্বরূপ উপহার কিনে, কেক কেটে বা মায়ের পছন্দের খাবার খাইয়ে মাকে খুশি করার মধ্য দিয়ে পালিত হবে ‘বিশ্ব মা দিবস’।

দিবসটি উপলক্ষে দেশব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করছে। এ দিনে মায়েদের উপহার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ফ্যাশন হাউসগুলো বিশেষ ধরনের শাড়ি বাজারজাত করছে। বাংলাদেশে দিবসটি ঘটা করে পালনের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। নাগরিক জীবনে দিনটি পালনের তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে কয়েক বছর ধরে।

গ্রামের চেয়ে শহরে এ আয়োজন থাকে বেশি। শেরপুরে আজ বিভিন্ন শপিংমলে মায়ের জন্য উপহার সামগ্রী কিনতে ভিড় করবেন সন্তানরা। ফোনে অনেকেই মাকে ভালোবাসা জানাবে। মায়ের জন্য শাড়ি, গহনা, ব্যবহার্য জিনিসপত্র কিনবে সন্তানরা। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনদাতাও এ দিবসকে ঘিরে বিজ্ঞাপন তৈরি করেছে।

আজ বিশ্ব মা দিবস। সন্তানের জন্য মায়ের ভালোবাসা আর মমতা মাপার কোনো দাড়িপাল্লা এ বিশ্বে আজো তৈরি হয়নি। মায়ের প্রতি ভালোবাসা জানানোর আজ এক বিশেষ দিন— মায়ের সঙ্গে এ দিনে যদি কিছুটা সময় কাটানো যায় নিঃসন্দেহে মায়ের মন আনন্দে ভরে উঠবে।

যদিও ৩৬৫ দিনও মাকে ভালোবাসা জানানোর জন্য পর্যাপ্ত নয় তারপরও একটা দিন যদি শুধু মায়ের জন্য উৎসর্গ করা যায় সেটা তার কাছে দারুন এক উপহার হবে। আল্লাহ তাই মায়ের কাছের সন্তানের পরম শান্তির জায়গা ধরে রেখেছে।

১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ৮ মে আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মার্কিন কংগ্রেসে মে মাসের দ্বিতীয় রোববারকে আন্তর্জাতিক মা দিবস ঘোষণা করেন। পরে ১৯৬২ সালে দিবসটি আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এরপর থেকে দিবসটি আন্তর্জাতিক পরিসরে পালন হচ্ছে।

মার্কিন সমাজকর্মী অ্যান রেভেস জার্ভিসের দশম সন্তান আনা জার্ভিস নিজে কোনো দিন মা হতে না পারলেও দিনটি তার কাছে ছিল অন্যরকম। অ্যান রেভেস অসুস্থ হলে আনা সেবাযত্ন করেন নিবিড়ভাবে। তার মায়ের মৃত্যুর তিন বছর পরে ১৯০৮ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে আমেরিকার ভার্জিনিয়াতে এক স্মরণসভার আয়োজন করেন আনা। তারই উদ্যোগে একই বছরে মার্কিন কংগ্রেসে দিবসটিকে মা দিবসের মর্যাদা দিয়ে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করার প্রস্তাব পাঠানো হয়। প্রথমে প্রত্যাখ্যাত হলেও পরে প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন এ দিনকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করেন।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!