You dont have javascript enabled! Please download Google Chrome!

‘আগামীতে সরকার গঠন করবে খালেদা জিয়া’

বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেই খালেদা জিয়া এবং বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তি‌নি ব‌লেন, সেই নির্বাচনে জয়লাভ করে খালেদা জিয়া সরকার গঠন করবে ও ২০১৮ সাল হবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বছর এবং জনগনের বছর।

বুধবার (২৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র : শহীদ জিয়াউর রহমান: আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মোশাররফ বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। আর যদি আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পথে হাটেন তাহলে যারা ভোটের অধিকার হারিয়েছে সেই জনগণ রাস্তায় দাড়িতে তাদের বাধাগ্রস্থ করে সেখানেই প্রয়োজনে যে ধরনের আন্দোলন লাগে তা করে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে। এবং জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেই খালেদা জিয়া এবং বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ম‌ধ্যে‌ দি‌য়ে জয় লাভ কর‌বেন।

তিনি আরও বলেন, ‘সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাড়িয়ে বলেছেন নির্বাচনকালীন সরকার’। বর্তমান সংবিধানে কিন্তু সেই নির্বাচনকালীন সরকারের কথা নাই। প্রধানমন্ত্রী যদি আন্তরিক হয়ে থাকেন তাহলে তার সেই কথা ধরে বলি নির্বাচনকালী সরকার হ‌লে, সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে। আজকে সংসদে আওয়ামী লীগের দুই তৃতীয়াংশ সদস্য আছে সংসদে তারা চাইলে সংশোধনী আনতে পারেন। তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ কিন্তু সেখানে অবশ্যই উ‌ল্লেখ থাক‌তে হবে ‘নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার’।

তিনি বলেন, যদি এই সংবিধানে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা সংশোধনীর মাধ্যমে এনে নির্বাচন হয়, তাহলে সংবিধান মোতাবেকই নির্বাচন হবে। আর যদি তারা এটা না করে তাহলেও বাংলাদেশে উদাহরণ আছে সংবিধানের বাইরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের অধীনে নির্বাচন হয়েছিল। ‌

বিএনপির এই নেতা ব‌লেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার পক্ষে কোনো যুক্তি তারা দেখাতে পারবে না। কেননা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন একটা তথাকথিত নির্বাচন এটা প্রমাণিত।

বিএন‌পির এই নেতা ব‌লেন, আমরা একটা শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। এজন্য আমাদের নেত্রী দেড় বছর আগে ঘোষণা দিয়ে বলেছেন যে নির্বাচনকালীন একটা নিরপেক্ষ সরকার হতে হবে। সংসদ ভেঙ্গে নির্বাচন দিতে হবে। ৫ জানুয়ারি জাতীয় থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে জনগনের ভোটের প্রতি যে অনিহা অনাস্থা তা ফিরিয়ে আনার জন্য ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনীকে নির্দ্দিষ্ট দিনের জন্য মোতায়েন করতে হবে। আমাদের নেত্রী আরও বলেছেন যে, নিরপেক্ষ সরকারের রুপরেখা তিনি (খালেদা জিয়া) দেবেন। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং উপযুক্ত সময়ে এই রুপরেখা দেয়া হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জিয়া পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কবীর মুরাদের সভাপতিত্বে এবং জিয়া পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহিল মাসুদের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অধ্যাপক ড. এসএম হাসান তালুকদার ও বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের

error: Alert: কপি হবেনা যে !!