সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরা

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে নামেই ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে চার লাখ লোকের জন্য মাত্র ২০ শয্যার হাসপাতালেই চলছে চিকিৎসা কার্যক্রম। প্রায় আট বছর আগে সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মুরাদ হাসান হাসপাতালটি ২০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করলেও শুরু হয়নি এখনো এর কার্যক্রম।
এছাড়া চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা, অসদাচরণ, মেডিকেল সার্টিফিকেট বানিজ্য, দালাল ও ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দৌরাত্বে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীদের। অপরিচ্ছন্ন বিছানা, পানি সঙ্কট, নোংরা স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং মশা-মাছির উপদ্রবে হাসপাতাল এখন নিজেই রোগীতে পরিণত হয়েছে। যেন দেখার কেউ নেই।
হাসপাতালে রোববার সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, অন্তত ১০ জন রোগী বিছানা সঙ্কটে মেঝেতে বিছানা পেতে পড়ে আছে। এ সময় পৌরসভার শিমলাপল্লী গ্রামের আমেনা বেগম জানান, ‘দুইদিন ধরে তিনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। সকালে ভর্তি হলেও আসন মেলে বিকেলে। তাও আবার মেঝেতে।’ আনিসুর রহমান নামে একজন জানান, ‘সকালে ভর্তি হলেও বিকেল পর্যন্ত কোন বিছানা মেলেনি। কর্তব্যরত নার্সদের সাথে কোন কথাও বলা যায় না, একটুতেই তারা রেগে যান।’ অধিকাংশ রোগীই অভিযোগ করেন, চিকিৎসকরা সেবার চেয়ে ওষুধ কোম্পানির লোকদের সাথেই বেশি সময় দেন। হাসপাতাল গেট ও ডাক্তারদের চেম্বারের সামনে বিভিন্ন ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের দালাল ও কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভদের ভিড় সব সময় লেগেই থাকে। রোগী নিয়ে টানা-হেচড়াও করে দালালরা। এতে প্রতারিত ও দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন অনেকেই।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম জানান, ‘সব অভিযোগ ঠিক নয়, তবে সত্যতা যাচাই করে বিষয়গুলো দেখবো।

শর্টলিংকঃ
সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। পাঠকের মতামতের জন্য কৃর্তপক্ষ দায়ী নয়। লেখাটির দায় সম্পূর্ন লেখকের