শুক্রবার , ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ || ২৪শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - হেমন্তকাল || ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

ঝিনাইগাতীতে বাসে যুব উন্নয়নের বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশিত হয়েছে -

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বেকার যুবক ও নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ, স্বাবলম্বী ও আত্মকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে কম্পিউটার ও মৎস্য চাষে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এসএমএ ওয়ারেজ নাইম। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ সহকারে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরাধীন ‘টেকনোলজি এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার অন হুইলস ফর আন্ডারপ্রিভিলেজড রুরাল ইয়ং পিপল অফ বাংলাদেশ (টেকাব- ২য় পর্যায়)’ শীর্ষক কারিগরি সহায়তায় ঝিনাইগাতী উপজেলা পরিষদ চত্বরে বাসে ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ২ মাস ব্যাপী চারটি শিফটে ৪০ জন নারী-পুরুষকে কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অপরদিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে ১ মাস ব্যাপী ২৫ জনকে মৎস্য চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব উন্নয়ন অধিদফতর শেরপুরের উপপরিচালক মো. নুরুজ্জামান। এতে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (অতি:দা) মো. হামিদুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফারুক আল মাসুদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুব ইলাহী, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. লাইলী বেগম, সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এএসএম কাউসার, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মৎস্য প্রশিক্ষক মো. ছাইদুল ইসলাম, কম্পিউটার প্রশিক্ষক তাইজুল ইসলাম এবং রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

Advertisements

কম্পিউটার প্রশিক্ষণার্থী মো. সোহেল রানা বলেন, যুব উন্নয়নের এমন উদ্যোগে বেশ খুশি তারা। বিনা পয়সায় কম্পিউটারের প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন। প্রশিক্ষণ শেষে সনদসহ বিভিন্ন উপকরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর হবে বলেও আশা তাদের।

কম্পিউটার প্রশিক্ষক তাইজুল ইসলাম বলেন, সরকার যুব উন্নয়ন অধিদফতরের মাধ্যমে শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। এতে পিছিয়ে পড়া তরুণ-তরুণীরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাবলম্বী হতে পারবেন।

যুব উন্নয়ন অধিদফতর শেরপুরের উপপরিচালক মো. নুরুজ্জামান জানান, প্রধানমন্ত্রীর ২০২১ ভিশন ও ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশে রূপান্তর করতে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষিতদের মধ্যে নতুন চেতনা আনতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যা দিয়ে গ্রামের অবহেলিত যুবসমাজের বেকার সমস্যা দূরসহ প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ভূমিকা রাখবেন।