বৃহস্পতিবার , ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ || ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ - হেমন্তকাল || ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি

কাঁচা মরিচের কেজি ১৫০ টাকা!

প্রকাশিত হয়েছে -

মাত্র ২০ দিন আগেও সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ৪০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে। বৃষ্টির অজুহাত দেখিয়ে সেই কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজি দরে।

আজ বুধবার উপজেলার রায়গঞ্জ পৌরসভার ধানগড়া বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ বছরে রোজার মধ্যে তুলনামূলকভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কম ছিল। তবে ঈদুল ফিতরের পর থেকে হঠাৎ করেই কাঁচা মরিচের দাম বাড়তে থাকে। বৃষ্টির কারণে মরিচগাছের ক্ষতি হয়েছে, এমন কথা বলে ব্যবসায়ীরা কাঁচা মরিচের দাম বাড়াতে থাকেন। ৪০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচের দাম বাড়তে বাড়তে এখন ১৫০ টাকা হয়েছে।
বাজারের দুজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী শামীম সরকার ও আবদুল্লাহ হেল কাফি জানান, তিন দিন আগেও কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১০০ টাকা। কিন্তু মোকামে দাম বাড়ার কারণে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
বাজারের একজন বড় ব্যবসায়ী নাজির হোসেন বলেন, কাঁচামালের দাম কখন কত বাড়বে, এটা বলা যায় না। আমদানির ওপর এসব জিনিসের দাম নির্ভর করে বলে জানান তিনি।
হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ধানগড়া এলাকার মেহেদি হাসান বলেন, বৃষ্টিতে গাছ নষ্ট হলে বাজারে কাঁচা মরিচ পাওয়া যাবে না। কিন্তু সরবরাহ প্রচুর দেখা যাচ্ছে। অথচ দাম নাগালের বাইরে। এটা ব্যবসায়ীদের কারসাজি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উপজেলা সদর ধানগড়া মহিলা কলেজের শিক্ষক মাসুদ রানা বলেন, ‘আয় না বাড়লেও বিভিন্ন সময়ে ব্যয়ের মাত্রা বাড়তেই থাকে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়লে আমাদের মতো নির্দিষ্ট আয়ের লোকজনের ভোগান্তির শেষ থাকে না।’ তিনি বাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Advertisements

উপজেলার বেতুয়া গ্রামের প্রবীণ আজাহার আলী বলেন, এখন সবাই মরিচ-পেঁয়াজ সবকিছুর জন্য বাজারের ওপর নির্ভরশীল। তাই ব্যবসায়ীরা সুযোগ পেলেই এসব জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেন।

পাবনাতেও বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। এক সপ্তাহ আগেও সেখানে কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। তা আজ বুধবার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। পাবনার নিচাবাজারে এ আর কর্নার মার্কেটের বিক্রেতারা জানান, বৃষ্টির কারণে মরিচ গাছের জমিতে পানি উঠে গাছ ও মরিচ পচে গেছে। চাহিদা অনুযায়ী ফলন কম হওয়ায় দাম বেড়ে গেছে।

সূত্র: প্রথম আলো